
কথিত
নারী
নির্যাতনের
নামে
আইনের
অপব্যবহার
তিনদিন
ব্যাধির
মতো
ছড়িয়ে
পড়ছে।
এই
ধরুন
সোশ্যাল
মিডিয়ার
পরিচিত
মুখ
নীলা
ইসরাফিলের
কথাই
ধরা
যাক।
তার
মোট
স্বামীর
সংখ্যা
আট
জন।
স্বাভাবিক
কারণে
বিয়ে
কিংবা
তালাকের
মাধ্যমে
স্বামীর
সংখ্যা
যদি
আরো
ছয়
জন
যোগ
হয়
তাতেও
কোন
সমস্যা
নেই।
কিন্তু
তার
বিয়ের
মূল
উদ্দেশ্যই
থাকে
স্বামীর
কাছ
থেকে
টাকা
পয়সা
হাতে
নিয়ে
ছটকে
যাওয়া।
আর
টাকা
পয়সা
দিতে
রাজি
না
হলেই
নারী
নির্যাতনের
মামলা
ঢুকে
পুরুষের
জীবন
ধ্বংস
করে
দেওয়া
হয়।
আমার
ব্যক্তির
জীবনে
আমি
10 টা
বিয়া
করছি।
আমার
10টা
আমার
10 টা
বাচ্চা
আছে।
এটা
তো
আমার
অপরাধ
হইতে
পারে
না।
নীলা
ইসরাফিলের
আগা
থেকে
গোড়া
পর্যন্ত
পুরোটাই
দু
নম্বরই।
তার
আসল
নাম
মাধবী
আক্তার।
নাম
পাল্টানোর
মত
প্রতিবছর
স্বামী
পাল্টানো
তার
জীবিকার
একটি
অংশ
হয়ে
দাঁড়িয়েছিল।
দরিদ্র
পরিবারের
মেয়ে
নীলা
ইসরাফিল
কে
নিয়ে
অনুসন্ধান
করতে
গিয়ে
জানা
যায়
তার
প্রথম
স্বামীর
সংসারে
প্রায়
25 বছর
বয়সী
একজন
মেয়ে
রয়েছে।
চার
নম্বর
স্বামীর
ঘরে
রয়েছে
এক
ছেলে
যেই
ছেলেকে
গাজীপুরের
শিশুপল্লীতে
রাখা
হয়েছে
যার
খোঁজ
নেন
না।
নীলা
ইসরাফিল
ওরফে
মাধবী
আক্তার।
সবশেষ
স্বামী
হাসান
আরিফের
ছেলে
মুয়াজ
আরিফের
সংসারে
রয়েছে
তার
দুই
মেয়ে।
এদের
সবার
কাছ
থেকে
নারী
নির্যাতনের
মামলা
সাজিয়ে
বড়
অংকের
অর্থ
হাতিয়ে
নিয়েছেন
মাধবী
আক্তার।
যদিও
সবশেষ
হাসান
আরিফের
সাথে
খুব
বেশি
সুবিধা
করতে
পারেনি
নীলা
ইসরাফিল
ওরফে
মাধবী
আক্তার
সোর্স
ছিল
এবং
সে
ওবাদুল
কাদের
ওবাদুতে
একটা
ফ্ল্যাট
ছিল
রং
মহল
আর
কি
যখন
সে
ছিল
সাংগঠনিক
যখন
আশরাফ
সাহেব
যখন
মহাসচিব
সে
সাংগঠনিক
ছিল
সম্পাদক
ওবায়দুল
কাদের
ওবায়দুল
কাদের
ওখানেও
যাইতো
সাথে
আমারও
আসতো
তার
বন্ধুবান্ধব
সহ
এরকম
আর
টোটাল
বিয়ে
আমার
কাছে
কামিংস
তিনটা
মানে
আমি
সহ
তিনটা
আর
এর
মাঝামাঝি
একটা
বিয়ে
বা
অবৈধ
সম্পর্
থেকে
একটা
বাচ্চা
ছিল
সেটা
হচ্ছে
গাজীপুরে
এসে
শিশু
একটা
ছেলে
সন্তান
ওটাকে
ওখানে
রেখে
আসছে
বাচ্চা
কয়টা
তার
টোটাল
টোটাল
বাচ্চা
হচ্ছে
গিয়ে
ওই
যে
প্রথমে
সারা
তারপর
একটা
মেয়ে
তারপরে
এখানে
দুইটা
মেয়ে
তার
মানে
চারটা
বৈধভাবে
আসার
একটা
হইলো
গিয়ে
চারটা
বাচ্চা
অবৈধটা
হচ্ছে
ওই
শিশু
পল্লী
তিনটা
তিনটা
বৈধ
তিনটা
বৈধ
একটা
অবৈধ
ছেলেটা
অবৈধ
আর
কি
যেটা
শিশু
পল্লী
গাজীপুরে
আছে
আচ্ছা
এই
তিনটা
কারা
কারা
মানে
এদের
কি
হাজবেন্ডদেরকে
চিনেন
আপনি
এদেরকে
ও
হ্যাঁ
আপনার
দুইটা
তো
আমার
কাছে
কি
দুইটার
হাসবেন্ড
তো
আমি
না
ওই
যে
দুই
হাসবেন্ড
যে
হাসবেন্ড
দুইজন
কে
আগের
হাসবেন্ডরা
চিনে
হ্যাঁ
আগের
হাসবেন্ড
একটা
হচ্ছে
গিয়ে
ওই
যে
সারা
সারার
বাবা
নাম
হচ্ছে
গিয়ে
সুফি
আজাদ
আজাদ
আর
কি
নাম
আমি
আপনাকে
ফেসবুকে
লিংক
দিয়ে
দিচ্ছি
লোকটার
আর
সেকেন্ডটার
নাম
হচ্ছে
ইসরাফিল
হোসেন
বাবু
ওখান
থেকে
আসছে
দুইটা
বাবু
স্ক্রিপ
রাইটার
নাটকের
গল্প
লেখে
বিত্তবান
পরিবারের
সন্তান
মুয়াজ
আরিফকে
মাধবী
আক্তার
ওরফে
নিলা
ইসরাফিল
বিয়েটাও
করেছিলেন
প্রতারণার
ফাদে
ফেলে
বিয়ের
পর
শ্বশুরের
বিশাল
সম্পদের
ভাগ
.jpg)
বসাতে
নানা
ধরনের
অপতৎপরতা
চালিয়েও
শেষ
রক্ষা
হয়নি
মাধবী
আক্তার
ওরফে
নিলা
ইসরাফিলের
ভিডিও
কর
রেকর্ড
করছি
ভিডিও
দেখনি
একটা
অভিযোগ
করতেছেন
একজনের
ব্যাপারে
আপনি
সেটার
প্রমাণ
দিবেন
না
আপনি
একটা
বয়স্ক
মানুষ
অভিযোগ
করছি
আমি
একজন
বয়স্ক
মানুষ
সম্পর্কে
অভিযোগ
করছি
বয়স্ক
মানুষ
এই
পর্যন্ত
কেন
একটা
স্টেটমেন্ট
দেয়
নাই
যেটা
মিথ্যা
বলে
নাই
কেন
বেঁচে
থাকা
অবস্থায়
সেই
লোকটার
এই
রুচিটাও
নাই
যে
আপনার
এই
কথা
নিয়ে
এটা
কেউ
বলতে
পারে?
একটা
কোন
ভদ্র
মানুষ
বলতে
পারে?
আমি
আমার
ছেলের
বউকে
কিছু
করি
না।
তার
ছেলে
আছে
তার
তার
ছেলে
আপনাকে
এত
কিছু
পাঠাচ্ছে,
এত
ছবি
পাঠাচ্ছে,
এত
কিছু
করতেছে
আপনি
কেমনে
জানলেন
তার
ছেলে
আমাকে
পাঠাচ্ছে?
আপনি
কিভাবে
জানলেন
তার
ছেলে
পাঠাচ্ছে?
আমি
জানি,
আমি
জানি।
তাহলে
আপনি
কোথায়
পাইলেন?
মোয়াজকে
ফাসাতে
গিয়ে
নিজেই
এখন
মামলার
আসামি।
এরই
মধ্যে
এক
মামলায়
তার
গেল
বছর
তিন
বছরের
কারাদণড
হয়েছে।
সে
মামলা
থেকে
বাঁচতে
এখন
তিনি
বিভিন্ন
দেশে
দেশে
পালিয়ে
বেড়াচ্ছেন।
কারণ
দেশে
গেলেই
তাকে
জেলে
ঢুকতে
হবে।
একই
মামলায়
আসামি
করা
হয়েছে
মাধবী
আক্তার
ওরফেলা
ইসরাফিলের
তিন
ভাই
বাদশাহ
রাজা
অন্তর
এবং
তার
মা
প্রিন্সেস
জুলেখা
বেগমের।
যিনি
একজন
যাত্রাপালার
নিত্যশিল্পী।
মেয়ে
মাধবী
আক্তারের
মত
নিজেও
নামের
আগে
ভুয়া
প্রিন্সেস
যুক্ত
করে
নেচে
গিয়ে
দিন
কাটিয়ে
দিচ্ছেন।
নীলা
ইসরাফিল
আর
মুয়াজের
গল্পটা
অন্যরকম
হতে
পারতো
যদি
না
মুয়াজ
আরিফ
নিজেই
একজন
আইনজীবী
হতেন।
সামাজিক
অবস্থান
দুর্বল
হলে
মোয়াজের
ভাগ্যেও
নীলা
ইসরাফিলের
আগের
স্বামীদের
মতই
অন্ধকার
নেমে
আসতো।
এটা
হচ্ছে
সমাজের
প্রতি
আপনার
আর
আমার
দায়বদ্ধতা।
আপনি
সাংবাদিক
আর
আমি
আইনজীবী
এটা
সাংবাদিকদের
দিক
থেকে
এবং
আইনজীবী
দিক
থেকে
এক
সামাজিক
দায়বদ্ধতা
যে
এরকম
মানুষের
একেবারে
জেলের
ভিতরে
থাকা
উচিত
একেবারে
সমাজে
চলাচল
করা
উচিত
বড়
করে
কথাবার্তা
অসহ্য
করা
উচিত
না
প্রশ্ন
উঠে
না
মানে
খুবই
সিম্পল
যে
ভাই
তুমি
এটা
করতে
এটা
করছো
এটা
করতে
করতে
আসছে
একদূর
এখন
তুমি
তোমার
জায়গায়
ফিরে
যাও
তুমি
যদি
কি
বলে
মানে
হয়
রাষ্ট্রীয়
খরচে
জেলেথা
থাকবা
অথবা
তুমি
মানে
দেখো
কোন
ওই
কি
ট্রাক
ট্রাক
মালিক
ট্রাক
ড্রাইভারের
পাঁচ
নম্বর
বউ
হিসাবে
কোন
একটা
জেলায়
থাকো
মানে
এই
ঢাকার
মানে
মানে
বার্তা
নষ্ট
কইরো
না
মানে
আমি
এটা
বুঝি
না
যারা
নারীবাদী
তারা
একটা
মানুষের
বেসিক
ইয়েটা
দেখে
না
কেন
যে
ভাই
আপনি
যে
আসছেন
আচ্ছা
আমি
যে
আপনার
সাথে
এত
কথা
বলি
বা
আপনি
সাংবাদিকতা
পড়ছেন
আমি .jpg)
ল
পড়ছি
একটা
আন্ডারস্ট্যান্ডিং
আছে
তো
মানুষ
জিজ্ঞেস
করে
না
কেন
এই
বান্দিগুলার
তুমি
কি
পড়ছো
মানে
থাক
সবার
সাথে
বুঝছি
তোমার
ইউনিভার্সিটির
বিসি
হয়তো
রাত
কাটাইছো
সমস্যা
কিছু
নাই
তুমি
ডক্টর
মাহমুদ
যে
তার
পরিচয়
একটাই
বলে
সেটা
সেটা
হইলো
আপনার
ওয়াইফ
হ্যাঁ
আপনার
বাপের
নাম
বলে
আরে
বাবা
আমার
এটা
তো
কোন
পরিচয়
হতে
পারে
না
আমার
তো
সে
তো
ঢুকছে
হল
একটামিল
দিয়ে
আর
আমি
তো
কত
বছর
থাকছি
তুমি
সবাই
সবাইকে
রাজনীতি
করো
এজন্য
রাজনীতি
করবে
এজন্য
মুয়াজ
আরিফ
হয়তো
বেঁচে
গিয়েছেন
কিন্তু
এই
সমাজে
হাজারো
মুয়াজ
আরিফেরা
কারাগার
কিংবা
আদালতের
বারান্দা
ধুকে
ধুকে
মরছেন।
নিজের
ইচ্ছেমত
না
হলে
নারী
নির্যাতনের
মামলা
সাথে
আছে
যৌতুকের
দাবিতে
অত্যাচার।
সবচেয়ে
মজার
বিষয়
হলো
নারী
নির্যাতনের
মামলাগুলো
সবই
প্রায়
একই
রকম।
স্ত্রীর
সুবিধা
মতো
না
চললেই
স্বামী
নেশা
করে
জুয়াখোর।
নেশা
এবং
জুয়ার
টাকার
জন্য
প্রতিনিয়ত
স্ত্রীকে
মারধর।
বাবার
বাড়ি
থেকে
টাকা
না
দিলেই
শুরু
হয়
শারীরিক
নির্যাতন।
এরকম
হাজারো
গাঁজাখুরি
গল্প
সাজিয়ে
পুরুষের
বিরুদ্ধে
মামলাগুলো
সাজানো
হয়।
প্রতিটি
মামলার
এজাহার
যেন
একই
লেখকের
লেখা
কবিতা।
এখানে
দেখা
যাচ্ছে
সামান্য
ছোটখাট
পারিবারিক
মনোমালিন্যের
বিষয়টা
আদালতে
চলে
যাচ্ছে।
সবসময়
যে
যৌতুক
চেয়ে
স্বামীরা
শুধু
যৌতক
চাচ্ছে
এমন
না
বিষয়টা।
ধরেন
একটা
মামলা
করলে
সাথে
সাথে
একটা
প্রাথমিক
তদন্ত
করা
উচিত।
গ্রেফতারি
ওয়ারেন্ট
দেয়ার
আগে।
তো
প্রাথমিক
তদন্ত
বা
ওই
যে
প্রমাণের
যেই
জায়গাগুলো
ওগুলা
একটু
বিশ্লেষণ
করে
তারপরে
ওয়ারেন্ট
দেয়া
উচিত।
তাতে
করে
কেউ
যদি
মিথ্যা
মামলার
শিকার
হয়
তাহলে
উনার
যে
সামাজিকভাবে
উনি
হেও
প্রতিপন্ন
হন
গ্রেফতার
হওয়ার
কারণে
সেইটা
থেকে
আসলে
প্রতিকার
পাওয়ার
সুযোগ
আছে।
আজকের
অনুসন্ধানের
মূল
চরিত্র
মিথিলার
মামলাও
একই
রকম।
মিথিলার
বাবা
মোঃ
মিজানুর
রহমান
বাদী
হয়ে
রাসেলের
পরিবারের
বিরুদ্ধে
যে
মামলা
করেছিলেন
সেই
মামলার
সত্যতা
জানতে
মোঃম্মদ
মিজানুর
রহমানকে
কল
করলে
তিনি
নিজেই
স্বীকার
করেন
মামলা
করতে
গেলে
নাকি
এভাবেই
মিথ্যার
আশ্রয়
নিতে
হয়।
ওর
ভাই
টাইরা
ওযে
ওর
একটা
ভাই
আছে
আজমহল
বা
অন্য
ভাই
টাইরা
কি
কখনো
আপনার
মেয়েকে
কোন
ধরনের
শারীরিক
বা
যৌন
কোন
নির্যাতন
এরকম
কিছু
করছে
কখনো
না
এরকম
মানে
ঘটনা
হইছে
কি
যে
ওই
শারীরিকভাবে
তো
এরকম
না
জাস্ট
হল
ওই
ওরা
এর
আগে
আমাদের
বাড়িতে
আসছিল
বাড়িতে
আসছিল
আসার
পরে
থেকে
মনে
করেন
যে
হচ্ছে
অনেক
কথাবার্তা
বলে
অনেক
মানে
যেগুলো
বলার
মতো
না
ভাষা
অনেক
ইউজ
করে
এবং
হচ্ছে
আমার

মেয়েকে
বিভিন্ন
ধরনের
কথাবার্তা
বলে
কান্নাকাটি
শুরু
হয়
দেখলাম
যে
আসলে
এইরকম
অবস্থায়
এই
ফ্যামিলির
সাথে
আসলে
আগানো
যায়
না
আমি
জিজ্ঞেস
করতেছি
আমি
সরাসরি
জিজ্ঞেস
করছি
যে
মানে
কখনো
কি
আপনার
মেয়েকে
এরকম
হইছে
যে
ওর
অন্য
ভাইরা
আপনার
মেয়েকে
মানে
এমনিতে
খারাপ
কোন
কুপ্রস্তাব
দিছে
বা
খারাপ
কোন
কিছু
ধর্ষণ
টর্ষণ
করতে
চাইছে
বাধন
করছে
এরকম
কিছু
হইছে
না
কোন
ধর্ষণবা
বা
এরকম
কোন
কিছু
এরকম
আপনারা
যে
মামলাটা
করছিলেন
সে
মামলাটা
কি
ছিল
মামলাটা
ছিল
হচ্ছে
শারীরিক
মানে
নারী
নির্যাতনের
আমি
মামলা
দিছিলাম
আমি
বাধ্য
হয়ে
আপনার
তো
নিজেও
বোঝেন
যে
যখন
কেস
করতে
যাওয়া
হয়
তখন
তখন
তো
অনেক
কিছুই
হচ্ছে
করতে
হয়
শেষ
কথাগুলি
আর
বাড়তো
না
আমি
ওটাই
বললাম
যে
আপনি
একটা
মামলা
করলেন
সেই
মামলাটার
ভেতরেও
কিছু
কিছু
জিনিস
আপনি
নিজে
ঢুকায়
দিলেন
মামলা
জিতার
জন্য
আচ্ছা
এখন
ওদেরকে
আপনি
শিক্ষা
দেওয়ার
জন্য
লেচন
দেয়ার
জন্য
আপনি
মামলা
করলেন।
এরপরে
টাকা
দেওয়ার
পরে
আপনি
এই
মামলাটা
আপনি
হলফনামা
দিয়ে
ই
করলেন
যে
এই
আসামির
সাথে
আপনার
ব্যক্তিগত
সমস্যা
ছিল।
এই
সমস্যাগুলো
আপনাদের
পারিবারিক
সমস্যাগুলো
সমাধান
হয়ে
গেছে।
এই
সমাধান
হওয়ার
প্রেক্ষিতে
7 লক্ষ
5 হাজার
টাকা
আপনার
দেনমোহর
এবং
খরপোশ
বাবত
নিয়ে
আপনি
তার
বিরুদ্ধে
তার
তাকে
আপনি
মামলা
থেকে
অব্যহতি
দিতে
চান।
এরকমই
তো
লেখা
ছিল
নাকি?
হ্যাঁ।
হ্যা
তো
আপনি
মানে
টাকা
পয়সা
না
আমি
আমি
আপনাকে
যা
বলতেছি
আমি
এটার
এই
আপনার
এই
মামলার
কাগজ
তারপরে
আপনার
অলপকামা
এগুলো
পড়ে
তারপরে
বলতেছি
যে
কারণে
আপনাকে
আমি
একটু
সময়
নিয়ে
কল
দিলাম
তো
এইটার
পরে
আপনি
টাকা
পয়সা
পেয়ে
তারপরে
আপনি
মামলা
থেকে
তারে
সরায়
দিলেন
কেন
তাদেরকে
তো
আপনার
শাস্তি
দেওয়ার
কথা
তারা
এত
অন্যায়
করছে
আপনার
মেয়ের
সাথে
আপনি
টাকা
নিয়ে
তারপরে
মামলা
থেকে
তাদেরকে
সরায়
দিলেন
তারাই
এটা
এটা
তারাই
করছে
এটা
এই
কেসটা
উঠানোর
জন্যই
তারাই
হচ্ছে
আমাদের
হচ্ছে
উপজেলা
চেয়ারম্যান
ওদের
এলাকায়
আমাদের
তো
টাকা
কেস
করলে
তো
সেখান
থেকে
বাঁচার
জন্য
সে
তো
এটা
করবেই।
কেস
তো
আপনি
করছেন
কিন্তু
কেস
এবং
মীমাংসাটা
তারাই
করছে
এটা।
ভাই
তারা
তো
বাধ্যতা
তখন
তার
মা
মারা
যাচ্ছে
বাড়িতে
তার
পাসপোর্ট
পাচ্ছে
না
তার
মা
মারা
যাচ্ছে
তার
বাবা
নাই
সে
তার
মাকে
আনতে
যাবে
আনতে
পারতেছে
না
কারণ
সব
ভাইয়ের
বিরুদ্ধে
আপনারা
ওয়ারেন্ট
বের
করে
রাখছেন
তারা
দেশে
গেলে
আটক
হবে।
তাহলে
আমার
কি
করণীয়
ছিল
বলেন
তো?
আমার
কি
করণীয়
ছিল?
আপনার
করণীয়
ছিল
যেটা
সেটা
হইছে
যে
আপনি
তো
যদি
নাকি
আপনার
মেয়েকে
আসলেই
নির্যাতন
না
করে
থাকে
আপনি
একজনকে
বলতে
পারেন
না
যে
সে
আপনার
মেয়েকে
নির্যাতন
করছে।
মিথ্যা
এই
কাজটা
করা
উচিত
হয়
নাই।
আবার
যদি
আপনি
মনে
করেন
যে
না
তারা
করছে
সেক্ষেত্রে
তাদের
শাস্তি
নিশ্চিত
করা
উচিত
ছিল।
মামলা
সাজানো
হলেও
একটি
পরিবারের
সুখ-শান্তি
তচনচছ
হয়ে
গিয়েছিল
কথিত
নারী
নির্যাতনের
মামলার
চাপে।
মামলায়
জিততে
একজন
বাবা
হয়েও
নিজের
সন্তানের
যৌনাঙ্গ
রক্তাক্ত
হবার
মত
মিথ্যা
অভিযোগ
করতেও
কার্পণ্য
করেননি
মিথিলার
বাবা
মিজানুর
রহমান।
মিথিলার
পরিবারের
বিরুদ্ধে
মামলা
করলে
হয়তো
ন্যায়বিচার
পাওয়া
যেত।
কিন্তু
রাসেলের
পরিবারের
সেই
সময়
বা
ইচ্ছে
কোনটাই
নেই।
কিন্তু
মিথিলা
কিংবা
মাধবী
আক্তারদের
মত
নারীরা
আর
কত
পুরুষের
জীবন
নষ্ট
করলে
কথিত
নারী
নির্যাতনের
আইনের
অপব্যবহার
বন্ধ
হবে।
চুন
থেকে
পান
খুঁজতেই
জামিন
অযোগ্য
নারী
নির্যাতনের
মামলায়
দেশে
যে
পরিমাণ
পুরুষ
নির্যাতন
চলছে
তার
সংখ্যা
বাস্তবে
নারী
নির্যাতনের
চেয়ে
কয়েক
গুণ
বেশি।
এ
অবস্থা
চলতে
থাকলে
বিবাহ
নামক
নির্যাতনের
মালা
পড়তে
কোন
পুরুষ
আর
সজ্ঞানে
রাজি
হতে
চাইবে
না।
যদি
আসলেই
তেমনটি
হয়
তাহলে
সেই
পরিস্থিতির
জন্য
আমাদের
সমাজ
প্রস্তুত
আছে
কিনা
তা
একটু
ভাবতে
থাকুন। .jpg)